কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫ এ ০২:১৬ PM
কন্টেন্ট: সেবা এবং ধাপ
গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর টেকসই উন্নয়ন ও জীবনমান উন্নত করার লক্ষ্যে সামাজিক উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা সামাজিক সচেতনতা, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা এবং সংগঠন পরিচালনার কৌশল সম্পর্কে ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করেন।
১. মৎস্য চাষ:
আধুনিক কৌশলে মাছ চাষ, পুকুর ব্যবস্থাপনা, মাছের খাদ্য ও রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এর মাধ্যমে পরিবার ও সমাজের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হয়।
২. সমিতি পরিচালনা:
দলগতভাবে কাজ করা, সমবায় ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সভা পরিচালনা, স্বচ্ছতা বজায় রাখা ও নেতৃত্ব গুণাবলী অর্জনের কৌশল শেখানো হয়। এর ফলে সমিতি আরও সংগঠিত ও কার্যকর হয়।
৩. বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ:
অংশগ্রহণকারীদের বাল্যবিবাহের কুফল, আইনি দিক ও সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা হয়। এর মাধ্যমে সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হয়।
৪. সঞ্চয় জমানোর গুরুত্ব:
সঞ্চয়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জরুরি প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তার উপকারিতা শেখানো হয়। এটি পরিবার ও সমাজে স্বনির্ভরতা গড়ে তোলে।
৫. আইজিএ (Income Generating Activities) ভিত্তিক ঋণ পরিচালনা:
ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থাপনা, সঠিকভাবে ঋণ ব্যবহার, ব্যবসায় পরিকল্পনা ও আয়ের উৎস বৃদ্ধি করার কৌশল শেখানো হয়। এর মাধ্যমে ঋণ কার্যকরভাবে ব্যবহার করে টেকসই আয় বৃদ্ধি সম্ভব।
সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি
অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন
নারী ও পুরুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা
দারিদ্র্য হ্রাস ও জীবনমান উন্নয়ন
সুশৃঙ্খল ও সংগঠিত সমাজ গঠন